Ticker

6/recent/ticker-posts

লিখা আহবান, বিষয়ঃ ভবঘুরে পাগল এবং নির্যাতিত মেয়ে শিশুদের উপর নির্যাতনের বা তাদের জীবন কষ্টের বাস্তব ঘটনা বা তাদের বর্তমান করুণ অবস্থার বিবরণ

 বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম

সৈয়দ জিন আরিফ

পোস্টটির প্রকাশ কালঃ ২৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

ভবঘুরে পাগল বা মানসিক রোগী অথবা নির্যাতনের শিকার মেয়ে শিশু বা কোন না কোন জালেমের নিকট বন্ধী, এ রূপ মেয়ে শিশু, দুনিয়ায় যাদের কেহ নাই, তাদের মুক্তির লক্ষ্যে তাদেরকে বা তাদের পক্ষে অন্য কোন সুহৃদয় মানুষকে, তার বা তাদের উপর ঘটমান চরম নির্যাতনের বাস্তব ঘটনা বা তাদের বর্তমান করুণ অবস্থা লিখে তা এ ব্লগে প্রকাশের উদ্দেশ্যে আমাদের নিকট পাঠানোর অনুরোধ। 

কিভাবে আমাদের নিকট লিখা পাঠাবেন এবং কোন্ ধরনের মেয়ে শিশুদের লিখা আমরা আহবান করছি, তা জানতে ও পরিপূর্ণ ভাবে বুঝতে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি! 

অসহায় ভবঘুরে পাগল শিশু  বা নির্যাতিত ও মজলুম শিশু বা কোন জালেমের নিকট বন্ধী দশার মধ্যে সীমাহীন অত্যাচারে নিমজ্জিত শিশু, যার বা যাদের দেখার মত দুনিয়াতে কেহ নাই; এ ধরনের শিশু ব্যতিত অন্য কোন মেয়ে শিশুর বিষয়ে লিখা পাঠাতে নিষেধ করা হচ্ছে।

জনাব আরিফ সাহেবের সাথে থাকা মহিলা জিনেরা ওপেন হয়ে জনাব আরিফের কাছে মানবরূপে আসার আগ পর্যন্ত এবং প্রশাসনের বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত আমাদের এ উদ্যেগের বাস্তবায়ন বিষয়ক কার্যক্রম আরম্ভ করা হবে না! তবে এখন শুধুমাত্র লিখা পাঠিয়ে আমাদেরকে এবং সমাজ,  দেশ ও বিশ্বের মানব দরদি ও সু-হৃদয় মানুষদেরকে স্মরণ করিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই, আমাদের নিকট লিখা পাঠাবেন! এখানে আপনাদেরকে আমরা জানাচ্ছি যে, অতীতকে স্মরণ করে রাখার উদ্দেশ্যে আমার জিনেরা দৃশ্যমান হয়ে উপস্থিত হওয়ার পরেও আমরা আমাদের এ লেখায় ভাষাগত ভূল ছাড়া আর কোন কিছু ডিলিট করবো না! তবে প্রয়োজন হলে কোন তথ্য বা নিয়মাবলী সংযোজন করতে পারি!

সকলকে মনে রাখতে হবে, আমরা শুধুমাত্র, যে সকল মেয়ে শিশুর এ দুনিয়ায় কেউ নেই, শুধু তাদের যন্ত্রণাদায়ক বাস্তব ও করুণ ঘটনা লিখে পাঠাতে বলছি!
এবং যাদের বয়স ৯ বছর থেকে ১২ বছরের মধ্যে, ও যে বা যারা শুধুমাত্র মজলুম মেয়ে শিশু, শুধুমাত্র তাদের করুণ ও বাস্তব ঘটনা বা বাস্তব অবস্থা লিখতে অনুরোধ করছি! 
লিখা পাঠাতে হবে কেবলমাত্র বাংলায় অথবা ইংরেজীতে! আমরা বাঙালি হওয়ায় বাংলাই আমরা সবচাইতে ভালো জানি। যদিও ইংরেজীতেও লিখা পাঠাতে বলেছি, তবুও আমরা ইংরেজী খুব ভালো জানি না! তাই ইংরেজীতে লিখা পাঠালে আমরা তা পরিপূর্ণ ভাবে বুঝতে গুগল ট্রান্সলেট এর মাধ্যমে অনুবাদ করে বুঝতে হবে হয়তো!
উপরে যে ক্যাটাগরীর মানুষদের লিখা পাঠাতে বলেছি, এর বিপরীত আর কোন ধরনের শিশু বা মানুষের কোন ধরনের অবস্থা বা করুণ ঘটনা এ ব্লগে প্রকাশের জন্য লিখে পাঠানোর কোন প্রয়োজন নাই। ইন’শাআল্লাহু তা'য়ালা আমাদের দ্বারা যদি সম্ভব হয় তাহলে পরবর্তীতে আমরা অন্যান্য ক্যাটাগরীর মজলুম মানুষদের করুণ অবস্থা জানতে আরো ব্লগ ওপেন করবো!
প্রিয় পাঠক, আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, আমি কেন শুধু ৯ বছর থেকে ১২ বছর বয়সী যে বা যারা বর্বোরোচিত জুলুম-নির্যাতনের শীকার, যাদের এ দুনিয়ায় কেউই নেই, একেবারেই নিঃস্ব ও অসহায়; এ ধরনের শুধু মেয়ে শিশুদের ঘটনা বা বাস্তব অবস্থা লিখে পাঠাতে বলছি, আর কারো বলিনি কেন!? আসলে এদেরকে নিয়ে আমি করবো কী!?
এ প্রশ্নটি আপনাদের মনে ঘুরপাক খেতেই পারে?
আপনাদের এ প্রশ্নের কিছুটা উত্তর বা ইঙ্গিত হলেও আমি দিচ্ছি! 
প্রথমেই আপনাদের মাথায় একটা বিষয় রাখতে হবে যে, যে যুগে বিমান ছিলো না, সে যুগের কেউ যদি বলে, আমি বিমান আবিষ্কার করতে চেষ্টা করছি, ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা বিমান অনেক গুলো মানুষ নিয়ে একদেশ থেকে আরেক দেশে যাবে! তার এ কথা কি তার চার পাশের মানুষ তখন বিশ্বাস করবে? তাকে পাগল বলবে না!? আবার গ্রীষ্মকালের বিষয় কি শীতকালে বুঝানো যায়?
আপনারা জিন দেখেননি বা জিনদের শক্তি, সামর্থ ও তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানেন না! তাছাড়া জিন আপনাকে আসরও করেনি!! তাই আপনাদের এ বিষয়ে তেমন কোন ধারনা থাকার কথাও না!
আমি ভাবছি না যে, নারীদের প্রতি অতি মুহাব্বত বা অতি সেক্সুয়াল চাহিদা বা শক্তি, এটা জিনদের সৃষ্টিগত স্বভাব; তবুও যেহেতু মানুষ হিসেবে আমরা জানি না, তাহলে হয়ত হতেওতো পারে!
তাই ধরুন হাঁসের খাদ্য শামুক, গরুর খাদ্য ঘাস, আপনি যদি বিবেকবান মানুষ হন, তাহলে আপনি কি গরু আর হাঁসকে বাঁচিয়ে রাখবেন না!? তাদের খাদ্য যদি ঘাস আর শামুকই হয়, তাহলে আপনি কি বুঝতে চাইবেন না, তারা কী পরিমাণ শামুক আর ঘাস খেতে পারে? না তাদেরকে বাঁচিয়েই রাখবেন না!?
তাছাড়া এদেরকে নিয়ে আমার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে আমি তাদের পরিচয় প্রদান করে, মানুষকে দেখাবো যে, এদের শক্তি-সামর্থ কী রূপ?
তবে যেহেতু আমি মুসলিম,  তাই মানুষ হিসেবে ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা আমি শুধু  আলকোরআন ও আল হাদিস অনুযায়ী যতটুকু জায়েজ বুঝতে পারবো ; মানে আমি যেহেতু মানুষের মাঝে জিনের পরিচয় দেয়াটাকে ফরজ মনে করছি, তাই হুজুরেরা অনেক কিছু নাজায়েজ বললেও, কারণ তারা নাজায়েজ হয়তো বলতেই পারে, যেহেতু মানব সৃষ্টির পর থেকে এভাবে জিনের আগমন ঘটেনি!
তাই আমরা নিজেরা যদি পবিত্র কোরআন ও হাদীস থেকে বুঝতে পারি যে, কোন একটি কাজ জায়েজ হবে; তখন সেটি যদি জিনদের স্বভাব হয় বা জিন সমাজে ব্যাপক প্রচলিত হয়; তাহলে আমরা সেটি আমলে পরিণত করে জিন বা জিন সম্প্রদায়ের পরিচয় দিবো!
আর যে টুকু মুসলিমদের জন্য নাজায়েজ, বা যে কারণেই হোক আমাদের দ্বারা সম্ভব নয়, যেমন হত্যা, ধর্ষণ,  ইত্যাদি; তা আমরা মুসলিম হিসেবে করতে পারবো না! 
শয়তান বা ইবলিশ জিনদের নির্মম, হৃদয়বিদারক ও জঘন্য মূখী কর্ম; শয়তান বা ফেরআউন মত মানুষদের কর্ম দেখে বা নিজ নিজ জ্ঞানে তা বুঝে নিতে হবে!
আবার জিনদের স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য যদি মানুষের চাইতে ব্যতিক্রম হয়, তাহলে আমরা তখন যদি তাদের খাদ্য খাওয়ার অনুমতিই না দিই এবং তাদের খাদ্যের সরবরাহই যদি না দিতে পারি, তাহলে, খাদ্য খাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের শক্তি-সামর্থের পরিচয় আমরা কী করে বুঝবো? 
এবং এভাবে কি, মহান  রবের সৃষ্টিগত পরিচয় পাওয়া যাবে!?
তাছাড়া এভাবে দীর্ঘ নারীসক্ততা এটা যদি তাদের খাদ্য বা অভ্যাসই হয়, তাহলে তাদের খাদ্যের ব্যবস্থা না করে, আমি কিভাবে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানাতে আহবান করতে পারি!? 
যে জাতি যা খায়, বা যে জাতির যে অভ্যাস, তাকে কি তা দিতে হবে না, যদি তা জায়েজ হয়!?
মানুষ এবং জিনের যৌনক্ষুদা, এটা নারী পুরুষ উভয়ের, তাদের ভাত পানি বা খাদ্যের মতোই একটি খাদ্য বা ক্ষুদা!
পবিত্র কুরআনের সূরা নিসা এর ২৪ নং আয়াতে এবং সূরা মুমিনুনের ৫ ও ৬ নং আয়াতে, মানুষের ডানহাত যার মালিক হয়েছে তাদের সাথে যৌন সম্পর্ক বৈধ করা হয়েছে!
মাইন্ড করবেন না, আমি শিউর করে বলতে পারছি না যে, কথার কথা স্ত্রী জিনগণ বা অনেকগুলো দাসি জিন, তাদের স্বামী বা মালিকের শরীরে প্রবেশ করে একটানা ৬/৭ ঘন্টা, এবং একসাথে ৫০ নারীর সাথে সহবাস করতে পারে কিনা! বা কতটুকু পারে!!
এখানে তারা পারুক আর না পারুক, এ বিষয়ে প্রধান বিবেচ্য হচ্ছে, আল কোরআন  বা আল হাদিস, এ ধরনের কাজে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছে কিনা!?
উত্তর হলো, না! 
তাহলে এটি জায়েজ হতে সমস্যা কোথায়!?
হ্যাঁ, সমস্যা এক জায়গাতেই; আর তা হলো মানুষের মগজ!

মহান রব ৪ বিয়ের অনুমতি দিবেন, আন লিমিটেড দাসী রাখার অনুমতি দিবেন, কিন্তু তাদের সকলের যৌন ক্ষুদা কিভাবে মেটানো হবে, বা তারা সকলে মা কিভাবে হবেন, তা বলবেন না, এমনটি তো হতে পারে না!!
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিম্নের লিংকে ক্লিক করে বা লিংকটি কপি করে গুগলে সার্চ দেয়ার মাধ্যমে, এ বিষয়টি যে জায়েজ,  তা আমার লিখা এ খসড়া মাসআলাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে আপনারা বিস্তারিত ভাবে জানতে পারেন!


আবার আমি যেসব শিশুদের উদ্ধারের কথা বলেছি, এদেরকে উদ্ধারের পর সুস্থ সবল করার ও লেখা-পড়ার পর,  তখন তাদের মাতৃত্বের আবশ্যকীয় প্রয়োজনীয়তা এবং তাদের যৌন ক্ষুদা কে মিটাবে বলেন!?
এ মহিলাদের যৌনতার কি কোন প্রয়োজনই নাই? এটা কি শুধু জিনের একারই প্রয়োজন!? 
ভদ্রতার লেবাসে একটা সৃষ্টিগত প্রাকৃতিক সত্যকে অস্বীকার করবেন আপনারা!?

অন্য দিকে মনে করুন, একটা আগুনের মতো পরিবেশ, পরিস্থিতি, ও অবস্থা থেকে; কতগুলো অবলা, অভিভাবকহীনা, দূর্বল মেয়ে শিশুকে উদ্ধার করে ও তাদের পিছনে এতোগুলো টাকা ইনভেস্ট করে, আমি আবার তাদেরকে অভিভাবকহীনা যন্ত্রণাময় আগুনের পরিবেশে আবার কি করে নিমজ্জিত করতে পারি!?
আমি তাদেরকে মজলুমতার আগুন থেকে বাঁচাতে এবং তাদের চোখের পানির পুরষ্কার প্রদান করতে কি এ উদ্যেগ গ্রহণ করিনি!? 
তাছাড়া ইসলামি নিয়ম বা পবিত্র কোরআন-হাদীস থেকে আমাকে যদি তাদের ডানহাতের মালিক করা হয়, তাহলে যে আগুনে পড়ে তারা অনেকটা মানুষের পরিচয় হারিয়ে ফেলেছিলো, কেন আবার সে আগুনে ফিরিয়ে দিবো তাদেরকে!? আমি তাদেরকে আমার কাছে, মানে ফুলের বিছানায় কেন রাখতে পারবো না!? বিজ্ঞ মুফতিদের প্রতি জানতে ইচ্ছে করে কোরআন হাদীস অনুযায়ী মানুষকে ফুলের বিছানায় রাখতে মাসআলা চয়ন হবে(?), না আগুনের বিছানায় রাখতে মাসআলা চয়ন হবে!?

আমার কথায় হয়তো অনেকে যথেষ্ট মনে কষ্ট নিতে পারেন, কারণ আমি মনেকরি, এ বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে কমপক্ষে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম অনেকটা বেহুশ ঈমানদার বা নির্বোধ টাইপের।
অতএব যে কেউ আমাকে বলতে পারেন, দাসীকে আজাদ করে দিলে অনেক অনেক সাওয়াব! 
কিন্তু তারা একবারও ভাববেনা এ নিষ্ঠুর দুনিয়ায় একটা যুবতী মেয়েকে অভিভাবকহীন একা ছেড়ে দিলে তার কী পরিণতি হতে পারে!!
এছাড়া সাওয়াবের আশাতো সবাই করে, কিন্তু কোন মানুষ অল্প স্বার্থ হোক বা বেশি হোক, নিজ স্বার্থ ছাড়া কি কোন কাজ করে!? 
এভাবে রাস্তা থেকে চরম অবমাননাকর বা কষ্টদায়ক জুলুম থেকে তুলে এনে কেউ কি কারো জন্য ইনভেস্ট করেছে এ পর্যন্ত!? দেখেছেন এমন!?
সুতরাং স্বাভাবিক ভাবেই আপনারা বলতে পারেন, আপনার কি স্বার্থ তাহলে!?
এখানে আমার রয়েছে ৩টি প্রধান স্বার্থঃ-
১। প্রথমত আমি মানুষ হিসেবে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাবা হতে চাই!
২। দ্বিতীয়ত অনেক গুলো মজলুম অসহায়, যাদের দুনিয়ায় কেউ নেই; এ জাতীয় শিশু মেয়েদের অভিভাবক হয়ে তাদেরকে জীবনে চরম সুখী করার মাধ্যমে তাদেরকে আমার সন্তানের সম্মানিতা মা হতে সুযোগ দিতে চাই!
৩। আপনারা জানেন আমি জিনগ্রস্থ মানুষ! আমার শরীর হতে জিন উদ্ভব হতে চায়! এবং  প্রকাশিত হতে চায় দুনিয়ায়!
আমিও আমার সর্ব অন্তকরণে চাই জিনদের শক্তি-সামর্থ সহ ইত্যাদির পরিচয় দেয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহু তা'য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয় দিতে!
আর তাই মানুষ হিসেবে আমার শরীরে সর্বোচ্চ কতজন জিন এক সাথে অবস্থান বা প্রবেশ করতে পারে; এবং তখন ঐ মানুষটি কতজন নারীর সাথে একই সময়ে এবং একটানা কতঘন্টা সহবাস করতে পারে; আবার এ রকম অনেক নারীসঙ্গ যদি তাদের স্বাভাবিক ক্ষুদা বা তাদের স্বাভাবিক শক্তি বা বৈশিষ্ট্য হয়, তবে তাকে তার ক্ষুদা নিবারণের ব্যবস্থা করা বা তার ইচ্ছার মূল্যায়ন করা এবং এভাবে তার এ সৃষ্টিগত পরিচয় দেয়া, এটিও আমার উদ্দেশ্য! আর এ অবস্থায় আমি মানবরূপী জিন হিসেবে, জিনের এবং  মানুষের সৃষ্টিগত মহান রবের কী পরিচয় দাঁড়ায়, তা যেহেতু আমি অধিক সন্তানের বাবা হতে চাই, তাই এ বিষয়টি আমি নিজেও যেমন অধিক সংখ্যক পেতে চাই, এবং বিশ্ববাসিকেও তা দেখিয়ে দিতে চাই আমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয়!
তাহলে আপনারা স্পষ্ট করে বুঝতে পারছেন যে, এ শিশুদেরকে আমি সুস্থ ও স্বাভাবিক করে তোলার পর (মহান রব যদি তাওফিক দেয়) তাদের মধ্যে যাদের দ্বারা সম্ভব, আমি তাদেরকে হাফেজা ও আলেমা বানানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবো! 
এভাবে তাদেরকে আমার ডানহাতের মালিকানা পেতে ও আমার সন্তানের মা হওয়ার জন্য উপযুক্ত হতে সময় লাগবে বিধায়, আমি কেবলমাত্র ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী মেয়ে শিশুর কথা বলেছি!
এখন আমার সাথে থাকা এ মহিলা জিনেরা আমাকে সাথে নিয়ে উপরের দু'টি দিকের, (মানে একটি হলো এই মেয়ে শিশুদেরকে সুস্থ সবল  ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং ২য়টি হলো তাদেরকে আমার ডানহাতের মালিকানায় এনে আমার অধিক অধিক সংখ্যক সন্তানের মা বানাতে চেষ্টা করা) সবচাইতে বেশি কোনটির জন্য এ রকম নারি প্রীতি দেখাচ্ছে, তাতো তারা মানব আকৃতিতে দৃশ্যমান হয়ে আগত হওয়া ছাড়া নিশ্চিত হয়ে বলতে পারছি না!
কিন্ত তার আগেই পবিত্র কোরআন ও হাদীসে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা না থাকার পরেও, আপনারা যদি আমায় শুধু বাধা দিতে থাকেন, আর সবকিছু শুধু হারাম হারাম বলতে থাকেন, তাহলে আমি কেমন করে মহান আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্ট জিনকে প্রকাশ্যে আনতে পারবো বলেন!?
এখানে আমার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অসহায় অবলা চরম নির্যাতনের শিকার এ শিশুদেরকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করা! এবং আল্লাহু তা’য়ালার এক আজব সৃষ্টিকে ওপেন করা ও তাদের বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা! আর এভাবে আমি আমার রবকে জানা ও জানানো!!
আমার এতো ধন-সম্পদ ও এতো যৌনক্ষুদা নাই যে, আমি অনেক অনেক সন্তানের বাবা হতে পারি!!
কিন্ত যদি জিনদের দ্বারা তা সম্ভব হয় এবং পবিত্র কোরআন ও হাদীস থেকে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তাহলে এ অবস্থায় দুনিয়ার সমস্ত হুজুর একত্রিত হয়ে ফতোয়া দেয় যে, এটা মানুষের দ্বারা কিছুতেই সম্ভব হবে না, তাই এটা হারাম; তাহলে ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী এটা কি হারাম হয়ে যাবে!?
আমার মনে হয়, আমার এ মহিলা জিনদেরও এতো যৌনতা ও রিলাক্স করার মানসিকতা নেই!! 
ওরাও মূলত এ অবহেলিত অসহায়, চরম অত্যাচারের শিকার, দুনিয়ায় যাদের কেহ নাই, তাদের সারা জীবনের দায়িত্ব নিয়ে তাদের অভিভাবক হতে চাচ্ছে এবং দয়া ও করুণার  আধার হয়ে দুনিয়াতে আর্তমানবতার এক অনন্য অবদান রাখতে চাচ্ছে!
এছাড়া এ প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রায় আগুন থেকে ফিরিয়ে কতগুলো মজলুম শিশুকে শান্তিময় সম্মানজনক জীবন আপনি দিতে পারবেন, সে হিসেব কি আপনি একবারও করবেন না!?
এখানে আমি যে ক্যাটাগরীর শিশুদের পিছনে হাজার-লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করতে চেয়েছি, এভাবে তাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারলে, তার মালিকানা আমি না হলে, আর কে হতে পারবে!?
তাছাড়া তাদেরকে আমার ডান হাতের মালিকানার বিষয়ে  আমিতো আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির কথা বলছি! 
এবং আমি বলেছি জিনেরা মানব আকৃতিতে দৃশ্যমান হয়ে আগত হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং রাষ্ট্রীয় ভাবে বৈধতা ব্যতিত আমি এ কাজ আরম্ভ করবো না!
এবং এ শিশুদের বিষয়ে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি যে, আমাদের হেফাজতে থাকা এ শিশুদের  বিষয়ে ইসলামি আদালত যতক্ষণ পর্যন্ত আল কোরআন অনুযায়ী আমার ডানহাতের মালিকানার ঘোষণা না দিবে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তারা সাবালিকা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি সহ কোন পূরুষ তাদেরকে কোনরূপ যৌন নিপিড়ন করতে পারবো না বা করবো না! এ ক্ষেত্রে আমি তাদের জিম্মাদার!
এখন ইসলামি আদালত যদি মনে করে আমি তাদের এরূপ মালিকানা আমি পাবো না, এবং এটিকেই যদি তারা ইসলামি আইন মনে করে,  তাহলে রাস্তার পাগলি রাস্তায় পঁছবে! জুলুম আর অত্যাচারে পতিত বা জালেমের ব্যাঘ্র ক্ষুদায় বন্ধী নারী; নরপশুদের খাদ্যই হবে! তাকে উদ্ধারে, সে আর কাউকে পাবে না! 
ইতিমধ্যে যাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে বা হবে, তারা ভিন্ন!
কারণ নাম ধারী ভদ্দরগণ রাতে এসে ক্ষুদা নিবারণ করবে, ফুর্তি করবে; আর দিনের বেলায় তার ঐ রাতের রাণী ইন্তেকাল করলে,  তাকে ভালো ভাবে দাপনটাও করবেনা হয়তো তারা!! 
এ অসহায় চরম নির্যাতনের  শিকার শিশুদেরকে সুস্থ এবং সম্মানজনক জীবনে ফিরিয়ে নিতে ফতোয়া প্রদান ছাড়া, কোন ধরনের কল্যাণ মূলক উদ্যেগ এ পর্যন্ত কাউকে গ্রহণ করতে আমি দেখতে পাইনি!!

আর আমাকেও তখন হয়তো ইসলামি এরিয়া ছেড়ে যদি সম্ভব হয়, তাহলে ইংরেজ দেশে চলে যেতে হবে!! না হয় আমি জিনের খাদ্য দিবো কিভাবে!? আর জিনের শক্তি সামর্থই বা কী, তা বুঝবো কিভাবে? এবং জিন নিয়ে আমার গবেষণা কর্ম চালিয়ে যাবো কিভাবে? এবং সর্ব শক্তিমান আল্লাহু তা’য়ালার পরিচয় আমি পাবো বা জানাবো কিভাবে?

তবে আমি সবাইকে স্পষ্ট করে জানাচ্ছি যে, একজন  ভালো মুসলিম জিনের পরিচয় দিতে পৃথিবীর যে প্রান্তে যেতেই আমি বাধ্য হই না কেন, আল্লাহু তা'য়ালা না করুক, এ কার্যক্রমের প্রয়োজনে কখনোই আমি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতে পারবো না! ১০০% ইসলাম ধর্ম মেনেই ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা আমি শতভাগ জিনের পরিচয় দেবো!!

এ বিষয়ে আমার এ পোস্টের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বকে আমি স্পষ্ট জানাতে চাই যে, অনেক বেশি সন্তানের বাবা হওয়ার তীব্র আকাঙ্খা আমার রয়েছে! জিনের সাথে আমার বিয়েকে আপনারা সবাই হারাম হিসেবে ফতোয়া দিয়েছেন! 
আমি আপনাদের এ ফতোয়া মানি না! 
কারণ জিন নিজ থেকে যদি কাউকে বিয়ে করতে চায়, তখন এ ধরনের বিয়েকে আমি জায়েজ মনে করি!
জিনের সাথে মানুষের বিয়ে জায়েজ, এ বিষয়ে আমার লিখা কন্টেন্টও  রয়েছে! 
প্রয়োজনে আপনারা নিম্নে ক্লিক  করে অথবা লিংকটি কপি করে এবং গুগলে পেস্ট করে ও সার্চ করে কন্টেন্টটি পড়ে নিতে পারেন-

সুতরাং আমার জিন যদি রাজী থাকে, তাহলে ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা আমি তাকে বিয়ে করবোই!
এবং আমার এ সিস্টেমে কালেক্টকৃত শিশুদেরকে, পবিত্র কোরআন কর্তৃক ঘোষিত আমার ডানহাতের মালিকানার বৈধতা যদি আমায় আপনারা না দেন, তবে আমি বেশি বেশি সন্তানের বাবা হওয়ার তীব্র আকাঙ্খা না হয় বাদ দিলাম, কিন্ত তা যদি আমার জিনদের জন্য আবশ্যক হয় অথবা তারা যদি এ কাজে আমায় বাধ্য করে, তবে এ বিষয়েও আমি আপনাদেরকে মানবো  না! বা মানতে পারবো না!
আমি এ ধরনের শিশুদেরকে  উদ্ধার করার জন্য দয়ার বসে হোক, বা অধিক সন্তানের বাবা হওয়ার ইচ্ছায় হোক, বা জিনের শক্তি-সামর্থ কী, মহান আল্লাহু তা’য়ালা কী রূপ করে এদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তা জানতে এবং জানাতে, অথবা জিন কর্তৃক বাধ্য হয়ে এ কাজগুলো চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি!
এবার আপনারা ইচ্ছে করলে আমায় কাফের বা মোরতাদ, যাই ফতোয়া দেন, দিতে পারেন! 
আর যদি আমার জিনদের এরূপ কোন শক্তি-সামর্থ না থাকে, বা তারা তাদের প্রয়োজনে বা ইচ্ছায় আমাকে এ শিশুদের ডানহাতের মালিক হতে না বলে বা তাদের এরূপ অকল্পনীয় শক্তি-সামর্থ তাদের নাই বলে, তাহলে এ নারীদেরকে আমি একজন বাবার মতো বিয়ে-সাদীর ব্যবস্থা করে তাদের সারা জীবনের দায়িত্ব নেবো!!
আর আমি মনে করি এ ধরনের কাজ করে আমি কখনোই ঈমান হারা হবো না! বরং অশেষ নেকি  আমার হাসিল হবে!
এবার মূল বিষয় হচ্ছে জিন, মানব আকৃতিতে আমার নিকট উপস্থিত হচ্ছে কিনা!?
উপরের কাজ সমূহ আমার দ্বারা সম্পন্ন হোক, এটা যারা চান, তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আমার সাথে একাত্ম হয়ে ও কায়মনোবাক্যে দোয়া করুন, যাতে জিন উপস্থিত হয় এবং উপরোক্ত কাজ সমূহ সহ আমাদের নিয়তকৃত সকল কাজ আরম্ভ করতে প্রচেষ্টা চালায়!
যারা জ্ঞানবান বা আমার বিষয়ে আন্তরিক, আশা করি তারা কেন আমি শুধু অসহায় মেয়ে শিশুদের বিষয়ে তাদের বাস্তব করুণ তথ্য পাঠাতে বলেছি, তা বুঝতে পেরেছেন! 
এখানে উল্লেখ করছি যে, ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা,  আল্লাহু তা'য়ালার রহমতে, আমি যেসব মেয়ে শিশুদের চিকিৎসা দিয়ে, সেবা দিয়ে, খাদ্য দিয়ে সুস্থ করে অনেকটা নব জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারবো, আমি তাদের সকলকে আমার ডানহাতের মালিকানা হিসেবে রাখবো না!

বাকিরা যদিও আমার জিম্মায় থাকবে, তাদেরকে আমি বিভিন্ন কর্মে সেটেল্ড করে দেবো এবং তাদের বিয়ে সাদীর ব্যবস্থা করতে আপ্রাণ চেষ্টা করবো! অথবা তাদের মরণ পর্যন্ত সকল দায়-দায়িত্ব ও অভিভাবকত্ব আমার উপর ন্যস্ত থাকবে!

আপনারা জানেন, আমার শরীরে জিন উদ্ভব হয়েছে সেই ২০০১ ইং সনে এবং তিনি বা তারা আমার মাধ্যমে এ পৃথিবীর মানুষদের কাছে প্রকাশ্যে মানব আকৃতিতে ও তাদের দ্বারা সম্ভব অন্যান্য আকৃতিতে দৃশ্যমান হতে চেষ্টা করছে!

এখানে আমাকে আসর করা জিন একজনও হতে পারে, আবার অনেক অনেকগুলো জিনও থাকতে পারে! আমি যা ‍বুঝতে পেরেছি, এতে আমার কাছে অনেকগুলো মুসলিম মহিলা জিনই মনে হয়েছে!

তাদের উদ্দেশ্য হিসেবে তারা আমাকে এই বুঝাচ্ছে যে, তারা পৃথিবীর মানুষদের কাছে তাদের পরিচয় প্রদান করবে! মানে তারা কী পারে, আর কী পারে না! অর্থাৎ তাদের পূর্ণ বৈশিষ্ট্য, মানে তাদের শক্তি, সামর্থ, অর্থ, শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব সমষ্টি, রূপ-সৌন্দর্য ইত্যাদি মানুষদেরকে প্রত্যক্ষ ভাবে দেখাবে; বা তারা মানব আকৃতিতে বা তাদের দ্বারা সম্ভব অন্যান্য আকৃতিতে আমার নিকট দৃশ্যমান হয়ে,  আমার মাধ্যমে এ পৃথিবীবাসীকে এর ফলাফল বা বাস্তবায়ন বা তাদের এ স্বভাব সমষ্টির বা বৈশিষ্ট্য সমূহের বাস্তব কার্যকারিতা দেখাবে! 

মানে এভাবে তারা মহান রব এক আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয় প্রদান করবে!

যা আমার নিজ ব্রেনে সিগনাল পাঠানোর মাধ্যমে তারা আমাকে বুঝাচ্ছে এবং আমার শরীরে বিভিন্ন উপস্বর্গ সৃষ্টির মাধ্যমে তা আমাকে ও মানুষদেরকেও বুঝাচ্ছে বা বুঝিয়ে চলেছে!

আমার শরীরে যে তারা এখনো আছে, বা সবসময় থাকে, এ কথাতো আমার আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজন বা বন্ধু-বান্ধব সহ আমার এলাকার প্রায় সবগুলো মানুষই বিশ্বাস করে!

কিন্তু আজ ২০২৬ ইং সনে এসেও তিনি বা তারা কেউ দুনিয়াতে এখনো দৃশ্যমান হয়ে আগত হয়নি! বা হতে পারেনি অথবা আমি বা আমরা তাদেরকে আগত করাতে পারিনি!

তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, এবার হয়তো তারা আসতে পারে, বা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান অনুযায়ী তাদের মনমতো বা চাহিদা মতো না হলেও, তবুও তারা যখন আসতেই চায়, তাদেরকে যখন প্রদর্শন করাতেই যখন চায়, মহান আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয় যখন দিতেই চায়; তখন হয়তো তাদের পুরোপুরি মনপূত না হলেও (হয়তো নাও হতে পারে), তবুও আসার জন্য নূন্যতম যা যা প্রয়োজন, সে প্রসেসিং কাজ সমূহ আমার বুঝ মতে আমি প্রায় কমপ্লিট করে ফেলেছি!

আমার শরীরে থাকা এ মহিলা জিন বা জিনদেরকে আমি অনেক অনেক ধনী, শক্তিশালী এবং খুবই ভালো মুসলিম জিন; ও আল্লাহু তা’য়ালার অনুগত গোলাম বা অলি এবং মানুষের প্রকৃত বন্ধু হিসেবেই মনে করছি!

মানব মহিলাদেরকে আল্লাহু তা’য়ালা  অনেক দূর্বল করেই সৃষ্টি করেছেন! আর মানুষ নামের কুলাংঙ্গারদের নিকট দুনিয়ার নিয়ম হলো, যারা সবল থাকবে, তাদের দ্বারা দূর্বলগণ সব সময় নির্যাতিত আর নিপিড়ীত হতে থাকবে! এবং এ নিষ্ঠুরতা অনেক সময় এতোই চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায় যে, যা একজন সবল মানুষকে পশু থেকেও অধম করে তুলে!

আমাদের ধারণা মতে এ মহা বিশ্বের অনেক স্থানে এ ধরনের মানুষ নামের নর পশুর মতো অমানুষগুলো, অনেকগুলো মেয়ে শিশুর উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার, জুলুম এবং যন্ত্রণাদায়ক নির্যাতনের মাধ্যমে মানসিক রোগী বা পাগল হতে বাধ্য করে তাদেরকে ঘর-বাড়ি ছাড়া করে ভবঘুরে বানিয়ে তাদেরকে নিজ ঘর-বাড়ি ও সম্পত্তি থেকে পরিত্যায্য করেছে এবং এভাবে তাকে বা তাদেরকে ভিটা-মাটি ছাড়া করে এখন সে বা তারা খুশি হয়েছে! আর ঐ নির্যাতিত শিশুর প্রতি এখন আর তাদের কেউ খবরও রাখে না! ফলে এ ধরনের শিশুগণ রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, নিঘুম থেকে পরিচয়হীন ও ঠিকানাহীন ভাবে রাস্তা-ঘাট বা কোন অচেনা বাজারে মহা কষ্টের জীবন পার করছে! এবং এদের অনেকের দ্বারা সামাজিক সমস্যারও সৃষ্টি হচ্ছে! 

এছাড়া পৃথিবী ব্যাপী মানবরূপী নরপশু গণ বিভিন্ন অসৎ উপায়ে অবলা নারী শিশুদেরকে কালেক্ট করে এবং তাকে বা তাদেরকে আঁটকে রেখে, বা বিভিন্ন ভাবে বাধ্য করে ও তাদের উপর নির্মম অত্যাচার করে, তাদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে! অথবা বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে মরণ তুল্য যন্ত্রণা দিচ্ছে! এবং ঐ শিশুদেরকে দুনিয়াতেই হয়তো জাহান্নাম বা নরকের মতো কষ্ট দিচ্ছে তারা! তাদের আর্তচিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারী হচ্ছে, অথচ তাদেরকে দেখার কেউ নেই! যেমন পতিতালয়, কোকোফার্ম, আবাসিক হোটেল, ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদি! এ পৃথিবীতে এ ধরনের শিশুদের অনেকের মা, বাবা, ভাই, বোন হয়তো কেউই নেই। বা থাকলেও পরিস্থিতির শিকার হতে হতে, আজ হয়তো কেউ আর তাদের খবর রাখে না এবং তাদেরকে আর হয়তো কেউ গ্রহণ করে না! বা করবেও না!

যেখানে ইসলাম বলছে, পৃথিবীর সকল মুসলমান একটি দেহের মতো! পৃথিবীর যে কোথাও যদি একজন মুসলমান কষ্ট পায়, আর তার এ কষ্ট পৃথিবীর অন্যান্য যে কোন প্রান্তের মুসলমান যদি জানতে পারে এবং তখন তার গায়ে এ কষ্ট যদি অনুভূত না হয়, তবে যার গায়ে অনুভূত হয়নি বা হয় না; সে প্রকৃত মুসলমান নয়!!

আমরা মনে করি, এ ধরনের ভবঘুরে মানসিক রোগী বা পাগল মেয়ে শিশু অথবা বন্দীশালায় অবস্থানরত মেয়ে শিশু এবং এভাবে চরম অত্যাচারের শিকার মেয়ে শিশু, এ মহাবিশ্বের অনেক অনেক স্থানে রয়েছে! তাদেরকে এ নরক যন্ত্রণা থেকে উদ্ধার করে ‍যদি নিয়ে আসা যায় এবং তাদেরকে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে সুষম খাদ্য,  সুচিকিৎসা ও সুশিক্ষা দেওয়া যায় এবং এভাবে তাকে বা তাদেরকে যদি ভালো মানুষ হওয়ার সুযোগ দেয়া যায়, তাহলে তাদের মধ্য হতে অল্প সংখ্যক নির্যাতিত মেয়ে শিশু হলেও হয়তো হতে পারবে এ দুনিয়ার সম্পদ! আর বাকিরা বড় ধরনের সম্পদ না হলেও অন্তত তারা নিজেরাতো একবার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালার ইবাদত করতে পারবে! অথবা আমরাতো একবার বিশাল সাওয়াবের অধিকারী হবো! তাহলে আমাদের কাছে যদি শক্তি সামর্থ হয়; বা থাকে; যেখানে আমার জিনেরা বলছে বা তারা আমাকে বুঝাচ্ছে তাদের কাছে অঢেল টাকা বা অর্থ রয়েছে, এবং তাহলে আমরা যদি এ কাজে তাদেরকে পাই বা তারা নিজেরাই যদি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এ কাজের উদ্যেগ গ্রহণ করে ও তা বাস্তবায়নে সকল কর্ম সম্পাদন করতে প্রাণান্তর প্রচেষ্টা চালায়, তাহলে সেখানে আমরা এমন একটি বিশাল সাওয়াব পাওয়ার কর্ম উদ্যেগ নিবো না কেন!? 

আসলে এমন একটা মহৎ ও বড় ধরনের কার্যক্রম আমার সাথে থাকা মহিলা জিনেরাই গ্রহণ করেছে!!

যেখানে পুরো এ কার্যক্রম জুড়ে আমাদের, অর্থাৎ আমার এবং আমার জিনদের উদ্দেশ্যই হলো কেবলমাত্র এবং শুধুমাত্র আল্লাহু তা'য়ালার সন্তুষ্টি! মানে সাওয়াব প্রাপ্তি! মূলত সাওয়াব প্রাপ্তি ব্যতিত এ কর্ম উদ্যেগ ও তা বাস্তবায়নের পথে সর্বস্তরের কার্যক্রমের মধ্যে- 

আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য নাই।

আমি এবং আমার জিনগণ, মানে আমরা এ বিষয়টি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি! এবং আমরা নিজেরাও নারী হিসেবে ও মহান আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্ট জীব বা প্রতিনিধি হিসেবে এ ধরনের মেয়ে শিশুদেরকে উদ্ধার করে একটা শান্তিময়, নিরাপত্তা মূলক পরিবেশ, সুষম খাদ্য,  শিক্ষা, চিকিৎসা ও সম্মানজনক কর্ম দিয়ে এবং আদালতের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত আমার ডানহাতের মালিকানা হিসেবে তাদের সকল দায়-দায়িত্ব ও অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে এবং সংশ্লিষ্ট ঐ মজলুম মেয়ে শিশুর সম্মতির ভিত্তিতে সর্ব শক্তিমান আল্লাহু তা’য়ালার ইবাদত করতে তাদেরকে সুযোগ করে দিতে চাই!

আর তাই বিশ্বের কোথায় কোথায় এ ধরনের  চরম অত্যাচারের শিকার মেয়ে শিশু রয়েছে; তাদের ঠিকানা ও লোকেশন জানতে এবং তাদের উপর অত্যাচারের বিবরণ বুঝতে ও তাদের প্রকৃত অবস্থা কী, তা এ ব্লগের মাধ্যমে আমরা এবং এ বিশ্বের মহানুভব মানুষগণ যাতে জানতে পারে, এ জন্য ক্রিয়েট করেছি এ ব্লগটি!

এবং আমাদের উদ্দেশ্য কী, ও কিভাবে এর সফল বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, সে নিয়ম-কানুন ও এ সম্পর্কিত বিবরণ লিখে পাবলিস্ট করেছি এ পোস্টটি! 

আমার জিনেরা মহিলা হওয়ায়, তাই দূর্বল ও জুলুমের শীকার মেয়ে শিশুদের প্রতি তাদের দয়া ও করুণা থাকায়, তারা আমাকে এ ধরনের একটি মহৎ উদ্দ্যেগ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে! বা আমার মাধ্যমে তারা এ উদ্যেগটি গ্রহণ করেছে!

তাই এ ব্লগে অন্য কোন বয়সের মানুষ বা ঐ নির্দিষ্ট বয়সের মেয়ে শিশু ব্যতিত অন্য কেহ তার কোন ধরনের কাহিনী বা তার বা তাদের কোন রূপ করুণ অবস্থা লিখবেন না!  

নির্যাতিত মেয়ে শিশু বা তাদের পক্ষে অন্য কোন হৃদয়বান পুরুষ বা নারী গণ এ ব্লগে, তাদের করুণ ঘটনা সমূহ লিখতে চাইলে, তা কেবলমাত্র a30761223@gmail.com , arifullah202612@gmail.com এ দু’টি ইমেইলের যে কোন একটিতে লিখে পাঠাতে হবে, অথবা এ পোস্টের কমেন্টস সেকশনে ম্যাসেজ আকারে লিখতে হবে!

পতিতালয়ের কিংবা ককো ফার্মের বা আবাসিক হোটেলের বা গৃহ পরিচারিকা,  বা পেশাদার ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্যকৃত বা যে কোন বন্দী শালার মেয়ে শিশুর বিষয়ে অবশ্যই লিখবেন!

আপনি যত বড় পাপীই হন না কেন প্রয়োজনে আমরা আপনার পরিচয় গোপন রাখবো! এবং ঐ মজলুম শিশুকে যদি আমরা আমাদের কাইটেরিয়া অনুযায়ী গ্রহণ করতে চাই, বা সে যদি আমাদেরকে বা আল্লাহু তা'য়ালাকে পরিপূর্ণ মানতে চায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার সহযোগিতা ও আন্তরিকতার পরিমাপের হিসেবে আমরা হয়তো আপনাকে পুরুষ্কৃত করবো!

ভবঘুরে মানসিক রোগী বা পাগল মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে অবশ্য এতোকিছু বিবেচনা করা হবে না! সে মুসলিম কিনা আনুমানিক ভাবে ধরে নিয়েই এবং সে ঠিকানাহীন বা পরিচয়হীন ও মস্তিষ্ক বিকৃত হলেই তাকে আমরা রিসিভ করবো!

এভাবে আমরা যে সব মেয়ে শিশুকে আমাদের জিম্মায় আনবো বা আনতে পারবো, আমরা তখন আমাদের হেফাজতে থাকা সকল মেয়ে শিশুকে আমাদের এ বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও করে বিস্তারিত ভাবে দেখাবো, এভাবে আমরা মানুষদেরকে জানাবো! 

এবং কেউ যদি ঐ মজলুম শিশুর বা শিশুদের সঠিক মালিকানা বা অভিভাবকত্ব দাবী করে, এবং এ বিষয়ে যদি সে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারে, তাহলে আমরা অবশ্যই ঐ অত্যাচারিত শিশুকে তার যথাযথ বা আইনানুগ কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করবো! 

তবে যদি ঐ শিশু স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যেতে না চায়, তখন আদালতের মাধ্যমে ঠিক করবো, ঐ মজলুম শিশু কি আমাদের কাছে থাকবে, না তার আইনগত ঐ অভিভাবকের কাছে যাবে!! 

কারণ তাকে বা তাদেরকেতো সীমাহীন অত্যাচার করেই ঘরছাড়া করেছে! এখন আবার কোন্ সামাজিকতা বা কোন্ দূর্ভিসন্ধীতে আবার তাকে বা তাদেরকে ফিরে পেতে চাচ্ছে!?

আপনারা যে বা যারা আমার এ ব্লগে প্রকাশের উদ্দেশ্যে লিখা পাঠাবেন আমরা আপনার লিখাকে কপি করে এ ব্লগে তা পোস্ট আকারে বা এ ব্লগে প্রকাশিত রিলেটেড  অন্য যে কোন পোস্টের সাথে এডড করে পেস্ট করার মাধ্যমে তা প্রকাশ করবো! আমরা কারো লিখায় কোন ধরনের পরিবর্তন করবো না! তবে যে'ই লিখা পাঠান না কেন, আপনাকে অবশ্যই বানান শুদ্ধ করে ও ভাষাগত অন্যান্য শুদ্ধতা বজায় রেখে এবং মোটামুটি ভদ্র ভাবেই লিখতে হবে!

এতে লিখা পাঠানোকারীকে অবশ্যই তার ঠিকানা, ফোন/মোবাইল নং, ইমেইল এড্রেস লিখা আবশ্যক হবে! এবং সম্ভব হলে যার বিষয়ে লিখা; সে অত্যাচারিত,  নির্যাতিত শিশুর বা শিশুদের ঠিকানা, ফোন/মোবাইল নং, ও ইমেইল এড্রেস উল্লেখ করতে পারলে তা অতি উত্তম হবে (যদি থাকে)!

তবে যিনি লিখা পাঠাবেন, তার সাথে নির্যাতিত ঐ শিশুর বা শিশুদের সাথে তার সম্পর্ক কী, বা কোন সম্পর্ক আছে কিনা, তাও স্পষ্ট করে লিখবেন! বা এ লিখা পাঠানোর বিষয়ে আপনার ব্যক্তিগত কোন উদ্দেশ্য আছে কিনা তাও বুঝিয়ে লিখবেন!


আবার যিনি ঐ মজলুম শিশুর বা শিশুদের মুক্তির বিষয়ে, সংশ্লিষ্ট ঐ জালেমের বিপক্ষে সব ধরনের ওপেন সহযোগিতা করতে পারবেন, এ ধরনের সৎ সাহসের অধীকারী হিম্মত ওয়ালা সু-পুরুষ বা সু-নারীরাই কেবলমাত্র লিখবেন! 

একান্ত প্রয়োজন হলে আপনার নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে! তবে আমাদের নিকট লিখা পাঠানোর সময় অবশ্যই আপনার নাম, ঠিকানা, লোকেশন, ফোন নম্বর ও ইমেইল এড্রেস ইত্যাদি লিখতে হবে!!

এছাড়া পতিতালয়ের বা কোকোফার্মের বা আবাসিক হোটেলের বা ভিক্ষা বৃত্তিতে বাধ্যকৃত শিশুর বা যে কোন স্থানের ভিকটিম শিশু, যদি নিজে লিখা পাঠায় তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই তার সাথে যোগাযোগের  ফোন নাম্বার, তার স্থায়ী ঠিকানা, লোকেশন এবং ইমেইল এড্রেস পাঠাতে হবে! এবং তাকে উদ্ধারে তার নিকট কিভাবে যেতে হবে ইত্যাদি সবিস্তার লিখতে হবে!

আমাদের পক্ষ থেকে এ উদ্যেগ গ্রহণ করতে; মানে আল্লাহু তা’য়ালা যদি রাজি থাকেন, তাহলে হয়তো এ উদ্যেগ গ্রহণ করতে বা বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের নিজদেরকে উপযুক্ত হতে, আমাদের এখন থেকে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে! 

তাই আপনাদের প্রদানকৃত ফোন/মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, ইমেইল যেগুলো স্থায়ী ভাবে থাকতে পারে, সে গুলো লিখার জন্য পরামর্শ প্রদান করছি!

যারা লিখা পাঠাবেন,  আপনাদের মধ্যে যে বা যারা প্রকাশ্য সহযোগিতা করতে পারবেন না, বা ভিকটিমের নিকট বা তার জালেমের নিকট আমাদেরকে নিয়ে যেতে পারবেন না অথবা অন্তত তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে অথবা সে বা তারা যে আসলেই অসহায় ও চরম নির্যাতিতা বা তাদের যে আসলেই কেউ নেই,  এ বিষয়টি প্রমাণে, কোন ধরনের সহযোগিতা করতে পারবেন না;  তারা আমাদের নিকট বা এ ব্লগে কোন ধরনের লিখা পাঠাবেন না।

অবশ্যই আমরা জালিমদের সাথে কোন আপোষ করে বা অর্থের বিনিময় বা তাদের সাথে পারস্পরিক যোগসাজশে  কোন শিশু বা নারীকে উদ্ধার করে আনতে যাব না! 

আমরা জালেমের জুলুম যাতে আর না করতে পারে, সে হিসেবে বা প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে একত্রিত হয়ে জালিমের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগে তাকে বাধ্য করে এবং ওই জালিমের জন্য উপযুক্ত বিচারের ব্যবস্থা করে তাকে যথোপযুক্ত শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করবো!

আমরা যদি কোথাও  অভিযান পরিচালনা করি, তবে আমাদের নিয়ত ও হাজার চেষ্টা থাকবে, এখানে যেন আর কখনো শিশু ও নারীদেরকে কেউ নির্যাতন করতে না পারে, সে পথ যেন আমরা চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারি!

এবং আমরা এও চেষ্টা করবো জালেম হিসেবে যে বা যারা ঐ শিশুকে বা শিশুদেরকে আঁটকিয়ে রেখে, তার বা তাদের উপর বর্বোরোচিত জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে বা চালিয়ে যাচ্ছে তাকে বা তাদেরকেও তাদের জীবন ও জীবিকার এ পথ থেকে ফিরিয়ে অন্য সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত করা যায় কিনা! 

তারা ইসলামি শরিয়ত মেনে চলার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করলে, প্রয়োজনে এদের জন্যেও টাকা ব্যয় করবো!

তবে যে বা যারা লিখা পাঠাবেন, তাদের উল্লেখিত এ ঘটনা যদি সত্য হয়, এবং আমরা যদি তা এক্সেপ্ট করি, এবং ঐ শিশুকে বা শিশুদেরকে যদি আমরা গ্রহণ করতে পারি, তাহলে এ ধরনের লিখা পাঠানো ব্যক্তিকে, তার সহযোগিতা অনুযায়ী আমরা তাকে পুরুষ্কৃত করতে পারি!

লিখা, ভূক্তভোগী বা নির্যাতিতা ঐ মেয়ে শিশু নিজে বা তার পক্ষে অন্য কেহ, যেই’ই পাঠান না কেন, সরাসরি নির্যাতিতা ঐ শিশু বা শিশুদের সাথে কথা বলা যাবে বা ম্যাসেজ পাঠিয়ে তার প্রতি উত্তর ভূক্তভোগী ঐ শিশু বা শিশুদের থেকে জানা যেতে পারে; এ রকম ফোন নাম্বার এবং ইমেইল এড্রেস দিতে পারলে তা অনেক অনেক উত্তম হবে! 

নির্যাতনের শিকার ঐ শিশু বা শিশুরা যদি নিজে লিখে পাঠাতে পারে, তবে তা আরও ভালো হবে!

আমরা কখনোই গোপন ভাবে কোন ধরনের অভিযান পরিচালনা করবো না! বা আমাদের আশ্রয়ে আনার জন্য কোন ধরনের গোপন উদ্যোগ গ্রহণ করবো না! আমরা সবসময় স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়েই যে কোন বৈধ ও অনুমোদিত এবং প্রকাশ্য অভিযান পরিচালনা করবো! বা প্রকাশ্য যোগাযোগ স্থাপন করবো! 

এবং আমাদের প্রতিটা উদ্ধার অভিযান বা এ বিষয়ক যে কোন কার্যক্রম আমাদের এ বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হবে!

ভিডিও করে প্রকাশ করা হবে না, এ রকম অসহায় শিশু আমাদের নিকট একজনও থাকবে না! অর্থাৎ কোন ধরনের গোপন অভিযান এবং গোপন শিশু আমাদের নিকট থাকবে না!

আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই কোন ধরনের প্রতারণা মূলক বা কোন ধরনের উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয়!

তাই এ বিষয়ে কেউ কোন ধরনের ভূল তথ্য দিয়ে বা উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য দিয়ে আমাদেরকে ভিভ্রান্ত করলে বা পার্সোনালি কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য নিয়ে কোন লিখা পাঠালে বা কোন ধরনের মন্তব্য পেশ করলে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আমরা আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো!

দেখুন আমাদের এ উদ্যেগ কখনোই কোন ধরনের হাসি-ঠাট্টা বা তামাসার ছলে আমরা গ্রহণ করিনি! সুতরাং, দয়া করে এ পোস্টের বিষয়ে কেউ কোন ধরনের বাজে মন্তব্য করবেন না!

আমাদের এ ব্লগে পাবলিস্ট এর জন্য শুধু ঐ সব নির্যাতিত শিশু বা শিশুদের ঘটনা বা ঐ সব মজলুম শিশু বা শিশুদের করুন অবস্থা লিখে পাঠানো যাবে, যারা সর্বশক্তিমান ও সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালা এবং তাঁর রাসূলকে (সাঃ) শতভাগ মেনে চলার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বা করবেন,  এবং এ বিষয়ে পিউর নিয়ত ও প্রচেষ্টা রাখেন বা রাখবেন!

অর্থাৎ যে বা যে সব নির্যাতিতা শিশুর বিষয়ে লিখা পাঠাবেন, সে বা তারা বর্তমানে যে ধর্মের অনুসারীই হোক না কেন, তাকে যদি আমাদের জিম্মায় আনা হয়, তবে তাকে অবশ্যই ইসলাম ধর্ম কবুল করতে হবে ও খাঁটি মুসলমান হতে হবে!

অতএব কোন মজলুম শিশু প্রকৃত ভাবে যদি ইসলাম কবূল করতে না চান এবং আমাদের সকলের সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহু তা’য়ালাকে শতভাগ মেনে নিয়ে ইসলামি শরিয়তকে রিয়েল ভাবে ও মনে প্রাণে শতভাগ মেনে চলতে রাজী-খুশি না থাকেন! বা রিয়েলি'ই এ বিষয়ে নিজ থেকে আগ্রহ ও আন্তরিকতা না থাকে; তবে এ ধরনের কোন মজলুম শিশু বা শিশুদের বিষয়ে কোন লিখা আমাদের কাছে পাঠাবেন না! 

আমরা কারো জন্যে বা কাউকে সম্মানজনক ভাবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং এ জন্যে নির্যাতিত ঐ শিশুর পায়ে পড়ে বা জোর করে বা মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে আমাদের হেফাজতে আনতে চাই না, এবং ইচ্ছে করে কারো জন্যে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করতে আমরা রাজি নই! 

কারণ আমাদের এ উদ্যেগ কাউকে ফাঁদে ফেলে তার কাছ থেকে বা তাকে বা তাদেরকে দেখিয়ে সমাজ বা রাষ্ট্র থেকে মিথ্যে সুবিধা আদায়ের কোন অপকৌশল নয়!

যে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালাকেই মানে না, তার বিষয়ে আমাদের কোন দায়-দায়িত্ব নাই!

আর লিখা পাঠানোর পর আমরা যদি কোন কারণে কাউকে উদ্ধারের বিষয়ে কোন উদ্যেগ গ্রহণ নাই’ই করি বা না'ও করতে পারি, তবুও আমাদের ব্লগের মাধ্যমে দুনিয়ার কোন না কোন সুহৃদয় ব্যক্তির নজরে আপনার এ লিখা পড়তেও পারে এবং তখন কেউ না কেউ হয়তো এই ভিকটিম শিশু বা শিশুদেরকে উদ্ধারে যে কোন ধরনের উদ্যেগ গ্রহণ করতেও পারে!! 

আমার জিন যদি দৃশ্যমান হয়ে মানবরূপে আগত হয় এবং আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে আমাদের এ কার্যক্রম আরম্ভ করে বা করতে উপদেশ দেয়, তখন আমরা সর্ব সাধারণের জ্ঞাতার্থে আমাদের নোটিশ ব্লগ বা নোটিশ পেজে, নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে, আমরা তা সবাইকে জানিয়ে দিবো!

আমাদের নোটিশ পেজ/ নোটিশ ব্লগ দেখতে নিম্নে ক্লিক করুন, অথবা লিংকটি কপি করে গুগলে সার্চ করুন!

https://jinnotice.blogspot.com/

আমাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নিম্নোক্ত লিংকে, মানে আমাদের অফিসিয়াল ব্লগ "Syed Jin Arif official blog" লিংকে ক্লিক করুন, অথবা লিংকটি কপি করুন এবং তা গুগলে পেস্ট করে সার্চ করুন! এরপর খুজে নিন আপনি আমাদের বিষয়ে কী জানতে চান! বা আমাদের বিষয়ে আপনার কী প্রয়োজন বা আমাদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করতে পারেন এবং সে হিসেবে সার্চ করুন! ও আপনার বা আপনাদের প্রয়োজনীয় পোস্ট সমূহ পড়ুন!

 

ধন্যবাদ। সকলে ভালো থাকুন! সুস্থ থাকুন! সুন্দর থাকুন! আল্লাহ হাফেজ!

    








রস

Post a Comment

0 Comments