বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম
![]() |
| সৈয়দ জিন আরিফ |
পোস্টটির প্রকাশ কালঃ ২৭ আগস্ট ২০২৬ খ্রি.
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
ভবঘুরে পাগল বা মানসিক রোগী অথবা নির্যাতনের শিকার মেয়ে শিশু বা কোন না কোন জালেমের নিকট বন্ধী, এ রূপ মেয়ে শিশু, দুনিয়ায় যাদের কেহ নাই, তাদের মুক্তির লক্ষ্যে তাদেরকে বা তাদের পক্ষে অন্য কোন সুহৃদয় মানুষকে, তার বা তাদের উপর ঘটমান চরম নির্যাতনের বাস্তব ঘটনা বা তাদের বর্তমান করুণ অবস্থা লিখে তা এ ব্লগে প্রকাশের উদ্দেশ্যে আমাদের নিকট পাঠানোর অনুরোধ।
কিভাবে আমাদের নিকট লিখা পাঠাবেন এবং কোন্ ধরনের মেয়ে শিশুদের লিখা আমরা আহবান করছি, তা জানতে ও পরিপূর্ণ ভাবে বুঝতে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি!
অসহায় ভবঘুরে পাগল শিশু বা নির্যাতিত ও মজলুম শিশু বা কোন জালেমের নিকট বন্ধী দশার মধ্যে সীমাহীন অত্যাচারে নিমজ্জিত শিশু, যার বা যাদের দেখার মত দুনিয়াতে কেহ নাই; এ ধরনের শিশু ব্যতিত অন্য কোন মেয়ে শিশুর বিষয়ে লিখা পাঠাতে নিষেধ করা হচ্ছে।
জনাব আরিফ সাহেবের সাথে থাকা মহিলা জিনেরা ওপেন হয়ে জনাব আরিফের কাছে মানবরূপে আসার আগ পর্যন্ত এবং প্রশাসনের বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত আমাদের এ উদ্যেগের বাস্তবায়ন বিষয়ক কার্যক্রম আরম্ভ করা হবে না! তবে এখন শুধুমাত্র লিখা পাঠিয়ে আমাদেরকে এবং সমাজ, দেশ ও বিশ্বের মানব দরদি ও সু-হৃদয় মানুষদেরকে স্মরণ করিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই, আমাদের নিকট লিখা পাঠাবেন! এখানে আপনাদেরকে আমরা জানাচ্ছি যে, অতীতকে স্মরণ করে রাখার উদ্দেশ্যে আমার জিনেরা দৃশ্যমান হয়ে উপস্থিত হওয়ার পরেও আমরা আমাদের এ লেখায় ভাষাগত ভূল ছাড়া আর কোন কিছু ডিলিট করবো না! তবে প্রয়োজন হলে কোন তথ্য বা নিয়মাবলী সংযোজন করতে পারি!
তাছাড়া ইসলামি নিয়ম বা পবিত্র কোরআন-হাদীস থেকে আমাকে যদি তাদের ডানহাতের মালিক করা হয়, তাহলে যে আগুনে পড়ে তারা অনেকটা মানুষের পরিচয় হারিয়ে ফেলেছিলো, কেন আবার সে আগুনে ফিরিয়ে দিবো তাদেরকে!? আমি তাদেরকে আমার কাছে, মানে ফুলের বিছানায় কেন রাখতে পারবো না!? বিজ্ঞ মুফতিদের প্রতি জানতে ইচ্ছে করে কোরআন হাদীস অনুযায়ী মানুষকে ফুলের বিছানায় রাখতে মাসআলা চয়ন হবে(?), না আগুনের বিছানায় রাখতে মাসআলা চয়ন হবে!?
আপনারা জানেন, আমার শরীরে জিন উদ্ভব হয়েছে সেই ২০০১ ইং সনে এবং তিনি বা তারা আমার মাধ্যমে এ পৃথিবীর মানুষদের কাছে প্রকাশ্যে মানব আকৃতিতে ও তাদের দ্বারা সম্ভব অন্যান্য আকৃতিতে দৃশ্যমান হতে চেষ্টা করছে!
এখানে আমাকে আসর করা জিন একজনও হতে পারে, আবার অনেক অনেকগুলো জিনও থাকতে পারে! আমি যা বুঝতে পেরেছি, এতে আমার কাছে অনেকগুলো মুসলিম মহিলা জিনই মনে হয়েছে!
তাদের উদ্দেশ্য হিসেবে তারা আমাকে এই বুঝাচ্ছে যে, তারা পৃথিবীর মানুষদের কাছে তাদের পরিচয় প্রদান করবে! মানে তারা কী পারে, আর কী পারে না! অর্থাৎ তাদের পূর্ণ বৈশিষ্ট্য, মানে তাদের শক্তি, সামর্থ, অর্থ, শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব সমষ্টি, রূপ-সৌন্দর্য ইত্যাদি মানুষদেরকে প্রত্যক্ষ ভাবে দেখাবে; বা তারা মানব আকৃতিতে বা তাদের দ্বারা সম্ভব অন্যান্য আকৃতিতে আমার নিকট দৃশ্যমান হয়ে, আমার মাধ্যমে এ পৃথিবীবাসীকে এর ফলাফল বা বাস্তবায়ন বা তাদের এ স্বভাব সমষ্টির বা বৈশিষ্ট্য সমূহের বাস্তব কার্যকারিতা দেখাবে!
মানে এভাবে তারা মহান রব এক আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয় প্রদান করবে!
যা আমার নিজ ব্রেনে সিগনাল পাঠানোর মাধ্যমে তারা আমাকে বুঝাচ্ছে এবং আমার শরীরে বিভিন্ন উপস্বর্গ সৃষ্টির মাধ্যমে তা আমাকে ও মানুষদেরকেও বুঝাচ্ছে বা বুঝিয়ে চলেছে!
আমার শরীরে যে তারা এখনো আছে, বা সবসময় থাকে, এ কথাতো আমার আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজন বা বন্ধু-বান্ধব সহ আমার এলাকার প্রায় সবগুলো মানুষই বিশ্বাস করে!
কিন্তু আজ ২০২৬ ইং সনে এসেও তিনি বা তারা কেউ দুনিয়াতে এখনো দৃশ্যমান হয়ে আগত হয়নি! বা হতে পারেনি অথবা আমি বা আমরা তাদেরকে আগত করাতে পারিনি!
তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, এবার হয়তো তারা আসতে পারে, বা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান অনুযায়ী তাদের মনমতো বা চাহিদা মতো না হলেও, তবুও তারা যখন আসতেই চায়, তাদেরকে যখন প্রদর্শন করাতেই যখন চায়, মহান আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয় যখন দিতেই চায়; তখন হয়তো তাদের পুরোপুরি মনপূত না হলেও (হয়তো নাও হতে পারে), তবুও আসার জন্য নূন্যতম যা যা প্রয়োজন, সে প্রসেসিং কাজ সমূহ আমার বুঝ মতে আমি প্রায় কমপ্লিট করে ফেলেছি!
আমার শরীরে থাকা এ মহিলা জিন বা জিনদেরকে আমি অনেক অনেক ধনী, শক্তিশালী এবং খুবই ভালো মুসলিম জিন; ও আল্লাহু তা’য়ালার অনুগত গোলাম বা অলি এবং মানুষের প্রকৃত বন্ধু হিসেবেই মনে করছি!
মানব মহিলাদেরকে আল্লাহু তা’য়ালা অনেক দূর্বল করেই সৃষ্টি করেছেন! আর মানুষ নামের কুলাংঙ্গারদের নিকট দুনিয়ার নিয়ম হলো, যারা সবল থাকবে, তাদের দ্বারা দূর্বলগণ সব সময় নির্যাতিত আর নিপিড়ীত হতে থাকবে! এবং এ নিষ্ঠুরতা অনেক সময় এতোই চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায় যে, যা একজন সবল মানুষকে পশু থেকেও অধম করে তুলে!
আমাদের ধারণা মতে এ মহা বিশ্বের অনেক স্থানে এ ধরনের মানুষ নামের নর পশুর মতো অমানুষগুলো, অনেকগুলো মেয়ে শিশুর উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার, জুলুম এবং যন্ত্রণাদায়ক নির্যাতনের মাধ্যমে মানসিক রোগী বা পাগল হতে বাধ্য করে তাদেরকে ঘর-বাড়ি ছাড়া করে ভবঘুরে বানিয়ে তাদেরকে নিজ ঘর-বাড়ি ও সম্পত্তি থেকে পরিত্যায্য করেছে এবং এভাবে তাকে বা তাদেরকে ভিটা-মাটি ছাড়া করে এখন সে বা তারা খুশি হয়েছে! আর ঐ নির্যাতিত শিশুর প্রতি এখন আর তাদের কেউ খবরও রাখে না! ফলে এ ধরনের শিশুগণ রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, নিঘুম থেকে পরিচয়হীন ও ঠিকানাহীন ভাবে রাস্তা-ঘাট বা কোন অচেনা বাজারে মহা কষ্টের জীবন পার করছে! এবং এদের অনেকের দ্বারা সামাজিক সমস্যারও সৃষ্টি হচ্ছে!
এছাড়া পৃথিবী ব্যাপী মানবরূপী নরপশু গণ বিভিন্ন অসৎ উপায়ে অবলা নারী শিশুদেরকে কালেক্ট করে এবং তাকে বা তাদেরকে আঁটকে রেখে, বা বিভিন্ন ভাবে বাধ্য করে ও তাদের উপর নির্মম অত্যাচার করে, তাদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে! অথবা বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে মরণ তুল্য যন্ত্রণা দিচ্ছে! এবং ঐ শিশুদেরকে দুনিয়াতেই হয়তো জাহান্নাম বা নরকের মতো কষ্ট দিচ্ছে তারা! তাদের আর্তচিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারী হচ্ছে, অথচ তাদেরকে দেখার কেউ নেই! যেমন পতিতালয়, কোকোফার্ম, আবাসিক হোটেল, ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদি! এ পৃথিবীতে এ ধরনের শিশুদের অনেকের মা, বাবা, ভাই, বোন হয়তো কেউই নেই। বা থাকলেও পরিস্থিতির শিকার হতে হতে, আজ হয়তো কেউ আর তাদের খবর রাখে না এবং তাদেরকে আর হয়তো কেউ গ্রহণ করে না! বা করবেও না!
যেখানে ইসলাম বলছে, পৃথিবীর সকল মুসলমান একটি দেহের মতো! পৃথিবীর যে কোথাও যদি একজন মুসলমান কষ্ট পায়, আর তার এ কষ্ট পৃথিবীর অন্যান্য যে কোন প্রান্তের মুসলমান যদি জানতে পারে এবং তখন তার গায়ে এ কষ্ট যদি অনুভূত না হয়, তবে যার গায়ে অনুভূত হয়নি বা হয় না; সে প্রকৃত মুসলমান নয়!!
আমরা মনে করি, এ ধরনের ভবঘুরে মানসিক রোগী বা পাগল মেয়ে শিশু অথবা বন্দীশালায় অবস্থানরত মেয়ে শিশু এবং এভাবে চরম অত্যাচারের শিকার মেয়ে শিশু, এ মহাবিশ্বের অনেক অনেক স্থানে রয়েছে! তাদেরকে এ নরক যন্ত্রণা থেকে উদ্ধার করে যদি নিয়ে আসা যায় এবং তাদেরকে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে সুষম খাদ্য, সুচিকিৎসা ও সুশিক্ষা দেওয়া যায় এবং এভাবে তাকে বা তাদেরকে যদি ভালো মানুষ হওয়ার সুযোগ দেয়া যায়, তাহলে তাদের মধ্য হতে অল্প সংখ্যক নির্যাতিত মেয়ে শিশু হলেও হয়তো হতে পারবে এ দুনিয়ার সম্পদ! আর বাকিরা বড় ধরনের সম্পদ না হলেও অন্তত তারা নিজেরাতো একবার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালার ইবাদত করতে পারবে! অথবা আমরাতো একবার বিশাল সাওয়াবের অধিকারী হবো! তাহলে আমাদের কাছে যদি শক্তি সামর্থ হয়; বা থাকে; যেখানে আমার জিনেরা বলছে বা তারা আমাকে বুঝাচ্ছে তাদের কাছে অঢেল টাকা বা অর্থ রয়েছে, এবং তাহলে আমরা যদি এ কাজে তাদেরকে পাই বা তারা নিজেরাই যদি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এ কাজের উদ্যেগ গ্রহণ করে ও তা বাস্তবায়নে সকল কর্ম সম্পাদন করতে প্রাণান্তর প্রচেষ্টা চালায়, তাহলে সেখানে আমরা এমন একটি বিশাল সাওয়াব পাওয়ার কর্ম উদ্যেগ নিবো না কেন!?
আসলে এমন একটা মহৎ ও বড় ধরনের কার্যক্রম আমার সাথে থাকা মহিলা জিনেরাই গ্রহণ করেছে!!
যেখানে পুরো এ কার্যক্রম জুড়ে আমাদের, অর্থাৎ আমার এবং আমার জিনদের উদ্দেশ্যই হলো কেবলমাত্র এবং শুধুমাত্র আল্লাহু তা'য়ালার সন্তুষ্টি! মানে সাওয়াব প্রাপ্তি! মূলত সাওয়াব প্রাপ্তি ব্যতিত এ কর্ম উদ্যেগ ও তা বাস্তবায়নের পথে সর্বস্তরের কার্যক্রমের মধ্যে-
আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য নাই।
আমি এবং আমার জিনগণ, মানে আমরা এ বিষয়টি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি! এবং আমরা নিজেরাও নারী হিসেবে ও মহান আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্ট জীব বা প্রতিনিধি হিসেবে এ ধরনের মেয়ে শিশুদেরকে উদ্ধার করে একটা শান্তিময়, নিরাপত্তা মূলক পরিবেশ, সুষম খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সম্মানজনক কর্ম দিয়ে এবং আদালতের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত আমার ডানহাতের মালিকানা হিসেবে তাদের সকল দায়-দায়িত্ব ও অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে এবং সংশ্লিষ্ট ঐ মজলুম মেয়ে শিশুর সম্মতির ভিত্তিতে সর্ব শক্তিমান আল্লাহু তা’য়ালার ইবাদত করতে তাদেরকে সুযোগ করে দিতে চাই!
আর তাই বিশ্বের কোথায় কোথায় এ ধরনের চরম অত্যাচারের শিকার মেয়ে শিশু রয়েছে; তাদের ঠিকানা ও লোকেশন জানতে এবং তাদের উপর অত্যাচারের বিবরণ বুঝতে ও তাদের প্রকৃত অবস্থা কী, তা এ ব্লগের মাধ্যমে আমরা এবং এ বিশ্বের মহানুভব মানুষগণ যাতে জানতে পারে, এ জন্য ক্রিয়েট করেছি এ ব্লগটি!
এবং আমাদের উদ্দেশ্য কী, ও কিভাবে এর সফল বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, সে নিয়ম-কানুন ও এ সম্পর্কিত বিবরণ লিখে পাবলিস্ট করেছি এ পোস্টটি!
আমার জিনেরা মহিলা হওয়ায়, তাই দূর্বল ও জুলুমের শীকার মেয়ে শিশুদের প্রতি তাদের দয়া ও করুণা থাকায়, তারা আমাকে এ ধরনের একটি মহৎ উদ্দ্যেগ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে! বা আমার মাধ্যমে তারা এ উদ্যেগটি গ্রহণ করেছে!
তাই এ ব্লগে অন্য কোন বয়সের মানুষ বা ঐ নির্দিষ্ট বয়সের মেয়ে শিশু ব্যতিত অন্য কেহ তার কোন ধরনের কাহিনী বা তার বা তাদের কোন রূপ করুণ অবস্থা লিখবেন না!
নির্যাতিত মেয়ে শিশু বা তাদের পক্ষে অন্য কোন হৃদয়বান পুরুষ বা নারী গণ এ ব্লগে, তাদের করুণ ঘটনা সমূহ লিখতে চাইলে, তা কেবলমাত্র a30761223@gmail.com , arifullah202612@gmail.com এ দু’টি ইমেইলের যে কোন একটিতে লিখে পাঠাতে হবে, অথবা এ পোস্টের কমেন্টস সেকশনে ম্যাসেজ আকারে লিখতে হবে!
পতিতালয়ের কিংবা ককো ফার্মের বা আবাসিক হোটেলের বা গৃহ পরিচারিকা, বা পেশাদার ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্যকৃত বা যে কোন বন্দী শালার মেয়ে শিশুর বিষয়ে অবশ্যই লিখবেন!
আপনি যত বড় পাপীই হন না কেন প্রয়োজনে আমরা আপনার পরিচয় গোপন রাখবো! এবং ঐ মজলুম শিশুকে যদি আমরা আমাদের কাইটেরিয়া অনুযায়ী গ্রহণ করতে চাই, বা সে যদি আমাদেরকে বা আল্লাহু তা'য়ালাকে পরিপূর্ণ মানতে চায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার সহযোগিতা ও আন্তরিকতার পরিমাপের হিসেবে আমরা হয়তো আপনাকে পুরুষ্কৃত করবো!
ভবঘুরে মানসিক রোগী বা পাগল মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে অবশ্য এতোকিছু বিবেচনা করা হবে না! সে মুসলিম কিনা আনুমানিক ভাবে ধরে নিয়েই এবং সে ঠিকানাহীন বা পরিচয়হীন ও মস্তিষ্ক বিকৃত হলেই তাকে আমরা রিসিভ করবো!
এভাবে আমরা যে সব মেয়ে শিশুকে আমাদের জিম্মায় আনবো বা আনতে পারবো, আমরা তখন আমাদের হেফাজতে থাকা সকল মেয়ে শিশুকে আমাদের এ বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও করে বিস্তারিত ভাবে দেখাবো, এভাবে আমরা মানুষদেরকে জানাবো!
এবং কেউ যদি ঐ মজলুম শিশুর বা শিশুদের সঠিক মালিকানা বা অভিভাবকত্ব দাবী করে, এবং এ বিষয়ে যদি সে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারে, তাহলে আমরা অবশ্যই ঐ অত্যাচারিত শিশুকে তার যথাযথ বা আইনানুগ কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করবো!
তবে যদি ঐ শিশু স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যেতে না চায়, তখন আদালতের মাধ্যমে ঠিক করবো, ঐ মজলুম শিশু কি আমাদের কাছে থাকবে, না তার আইনগত ঐ অভিভাবকের কাছে যাবে!!
কারণ তাকে বা তাদেরকেতো সীমাহীন অত্যাচার করেই ঘরছাড়া করেছে! এখন আবার কোন্ সামাজিকতা বা কোন্ দূর্ভিসন্ধীতে আবার তাকে বা তাদেরকে ফিরে পেতে চাচ্ছে!?
আপনারা যে বা যারা আমার এ ব্লগে প্রকাশের উদ্দেশ্যে লিখা পাঠাবেন আমরা আপনার লিখাকে কপি করে এ ব্লগে তা পোস্ট আকারে বা এ ব্লগে প্রকাশিত রিলেটেড অন্য যে কোন পোস্টের সাথে এডড করে পেস্ট করার মাধ্যমে তা প্রকাশ করবো! আমরা কারো লিখায় কোন ধরনের পরিবর্তন করবো না! তবে যে'ই লিখা পাঠান না কেন, আপনাকে অবশ্যই বানান শুদ্ধ করে ও ভাষাগত অন্যান্য শুদ্ধতা বজায় রেখে এবং মোটামুটি ভদ্র ভাবেই লিখতে হবে!
এতে লিখা পাঠানোকারীকে অবশ্যই তার ঠিকানা, ফোন/মোবাইল নং, ইমেইল এড্রেস লিখা আবশ্যক হবে! এবং সম্ভব হলে যার বিষয়ে লিখা; সে অত্যাচারিত, নির্যাতিত শিশুর বা শিশুদের ঠিকানা, ফোন/মোবাইল নং, ও ইমেইল এড্রেস উল্লেখ করতে পারলে তা অতি উত্তম হবে (যদি থাকে)!
তবে যিনি লিখা পাঠাবেন, তার সাথে নির্যাতিত ঐ শিশুর বা শিশুদের সাথে তার সম্পর্ক কী, বা কোন সম্পর্ক আছে কিনা, তাও স্পষ্ট করে লিখবেন! বা এ লিখা পাঠানোর বিষয়ে আপনার ব্যক্তিগত কোন উদ্দেশ্য আছে কিনা তাও বুঝিয়ে লিখবেন!
আবার যিনি ঐ মজলুম শিশুর বা শিশুদের মুক্তির বিষয়ে, সংশ্লিষ্ট ঐ জালেমের বিপক্ষে সব ধরনের ওপেন সহযোগিতা করতে পারবেন, এ ধরনের সৎ সাহসের অধীকারী হিম্মত ওয়ালা সু-পুরুষ বা সু-নারীরাই কেবলমাত্র লিখবেন!
একান্ত প্রয়োজন হলে আপনার নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে! তবে আমাদের নিকট লিখা পাঠানোর সময় অবশ্যই আপনার নাম, ঠিকানা, লোকেশন, ফোন নম্বর ও ইমেইল এড্রেস ইত্যাদি লিখতে হবে!!
এছাড়া পতিতালয়ের বা কোকোফার্মের বা আবাসিক হোটেলের বা ভিক্ষা বৃত্তিতে বাধ্যকৃত শিশুর বা যে কোন স্থানের ভিকটিম শিশু, যদি নিজে লিখা পাঠায় তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই তার সাথে যোগাযোগের ফোন নাম্বার, তার স্থায়ী ঠিকানা, লোকেশন এবং ইমেইল এড্রেস পাঠাতে হবে! এবং তাকে উদ্ধারে তার নিকট কিভাবে যেতে হবে ইত্যাদি সবিস্তার লিখতে হবে!
আমাদের পক্ষ থেকে এ উদ্যেগ গ্রহণ করতে; মানে আল্লাহু তা’য়ালা যদি রাজি থাকেন, তাহলে হয়তো এ উদ্যেগ গ্রহণ করতে বা বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের নিজদেরকে উপযুক্ত হতে, আমাদের এখন থেকে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে!
তাই আপনাদের প্রদানকৃত ফোন/মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, ইমেইল যেগুলো স্থায়ী ভাবে থাকতে পারে, সে গুলো লিখার জন্য পরামর্শ প্রদান করছি!
যারা লিখা পাঠাবেন, আপনাদের মধ্যে যে বা যারা প্রকাশ্য সহযোগিতা করতে পারবেন না, বা ভিকটিমের নিকট বা তার জালেমের নিকট আমাদেরকে নিয়ে যেতে পারবেন না অথবা অন্তত তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে অথবা সে বা তারা যে আসলেই অসহায় ও চরম নির্যাতিতা বা তাদের যে আসলেই কেউ নেই, এ বিষয়টি প্রমাণে, কোন ধরনের সহযোগিতা করতে পারবেন না; তারা আমাদের নিকট বা এ ব্লগে কোন ধরনের লিখা পাঠাবেন না।
অবশ্যই আমরা জালিমদের সাথে কোন আপোষ করে বা অর্থের বিনিময় বা তাদের সাথে পারস্পরিক যোগসাজশে কোন শিশু বা নারীকে উদ্ধার করে আনতে যাব না!
আমরা জালেমের জুলুম যাতে আর না করতে পারে, সে হিসেবে বা প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে একত্রিত হয়ে জালিমের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগে তাকে বাধ্য করে এবং ওই জালিমের জন্য উপযুক্ত বিচারের ব্যবস্থা করে তাকে যথোপযুক্ত শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করবো!
আমরা যদি কোথাও অভিযান পরিচালনা করি, তবে আমাদের নিয়ত ও হাজার চেষ্টা থাকবে, এখানে যেন আর কখনো শিশু ও নারীদেরকে কেউ নির্যাতন করতে না পারে, সে পথ যেন আমরা চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারি!
এবং আমরা এও চেষ্টা করবো জালেম হিসেবে যে বা যারা ঐ শিশুকে বা শিশুদেরকে আঁটকিয়ে রেখে, তার বা তাদের উপর বর্বোরোচিত জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে বা চালিয়ে যাচ্ছে তাকে বা তাদেরকেও তাদের জীবন ও জীবিকার এ পথ থেকে ফিরিয়ে অন্য সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত করা যায় কিনা!
তারা ইসলামি শরিয়ত মেনে চলার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করলে, প্রয়োজনে এদের জন্যেও টাকা ব্যয় করবো!
তবে যে বা যারা লিখা পাঠাবেন, তাদের উল্লেখিত এ ঘটনা যদি সত্য হয়, এবং আমরা যদি তা এক্সেপ্ট করি, এবং ঐ শিশুকে বা শিশুদেরকে যদি আমরা গ্রহণ করতে পারি, তাহলে এ ধরনের লিখা পাঠানো ব্যক্তিকে, তার সহযোগিতা অনুযায়ী আমরা তাকে পুরুষ্কৃত করতে পারি!
লিখা, ভূক্তভোগী বা নির্যাতিতা ঐ মেয়ে শিশু নিজে বা তার পক্ষে অন্য কেহ, যেই’ই পাঠান না কেন, সরাসরি নির্যাতিতা ঐ শিশু বা শিশুদের সাথে কথা বলা যাবে বা ম্যাসেজ পাঠিয়ে তার প্রতি উত্তর ভূক্তভোগী ঐ শিশু বা শিশুদের থেকে জানা যেতে পারে; এ রকম ফোন নাম্বার এবং ইমেইল এড্রেস দিতে পারলে তা অনেক অনেক উত্তম হবে!
নির্যাতনের শিকার ঐ শিশু বা শিশুরা যদি নিজে লিখে পাঠাতে পারে, তবে তা আরও ভালো হবে!
আমরা কখনোই গোপন ভাবে কোন ধরনের অভিযান পরিচালনা করবো না! বা আমাদের আশ্রয়ে আনার জন্য কোন ধরনের গোপন উদ্যোগ গ্রহণ করবো না! আমরা সবসময় স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়েই যে কোন বৈধ ও অনুমোদিত এবং প্রকাশ্য অভিযান পরিচালনা করবো! বা প্রকাশ্য যোগাযোগ স্থাপন করবো!
এবং আমাদের প্রতিটা উদ্ধার অভিযান বা এ বিষয়ক যে কোন কার্যক্রম আমাদের এ বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হবে!
ভিডিও করে প্রকাশ করা হবে না, এ রকম অসহায় শিশু আমাদের নিকট একজনও থাকবে না! অর্থাৎ কোন ধরনের গোপন অভিযান এবং গোপন শিশু আমাদের নিকট থাকবে না!
আমাদের উদ্দেশ্য কখনোই কোন ধরনের প্রতারণা মূলক বা কোন ধরনের উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয়!
তাই এ বিষয়ে কেউ কোন ধরনের ভূল তথ্য দিয়ে বা উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য দিয়ে আমাদেরকে ভিভ্রান্ত করলে বা পার্সোনালি কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য নিয়ে কোন লিখা পাঠালে বা কোন ধরনের মন্তব্য পেশ করলে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আমরা আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো!
দেখুন আমাদের এ উদ্যেগ কখনোই কোন ধরনের হাসি-ঠাট্টা বা তামাসার ছলে আমরা গ্রহণ করিনি! সুতরাং, দয়া করে এ পোস্টের বিষয়ে কেউ কোন ধরনের বাজে মন্তব্য করবেন না!
আমাদের এ ব্লগে পাবলিস্ট এর জন্য শুধু ঐ সব নির্যাতিত শিশু বা শিশুদের ঘটনা বা ঐ সব মজলুম শিশু বা শিশুদের করুন অবস্থা লিখে পাঠানো যাবে, যারা সর্বশক্তিমান ও সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালা এবং তাঁর রাসূলকে (সাঃ) শতভাগ মেনে চলার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বা করবেন, এবং এ বিষয়ে পিউর নিয়ত ও প্রচেষ্টা রাখেন বা রাখবেন!
অর্থাৎ যে বা যে সব নির্যাতিতা শিশুর বিষয়ে লিখা পাঠাবেন, সে বা তারা বর্তমানে যে ধর্মের অনুসারীই হোক না কেন, তাকে যদি আমাদের জিম্মায় আনা হয়, তবে তাকে অবশ্যই ইসলাম ধর্ম কবুল করতে হবে ও খাঁটি মুসলমান হতে হবে!
অতএব কোন মজলুম শিশু প্রকৃত ভাবে যদি ইসলাম কবূল করতে না চান এবং আমাদের সকলের সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহু তা’য়ালাকে শতভাগ মেনে নিয়ে ইসলামি শরিয়তকে রিয়েল ভাবে ও মনে প্রাণে শতভাগ মেনে চলতে রাজী-খুশি না থাকেন! বা রিয়েলি'ই এ বিষয়ে নিজ থেকে আগ্রহ ও আন্তরিকতা না থাকে; তবে এ ধরনের কোন মজলুম শিশু বা শিশুদের বিষয়ে কোন লিখা আমাদের কাছে পাঠাবেন না!
আমরা কারো জন্যে বা কাউকে সম্মানজনক ভাবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং এ জন্যে নির্যাতিত ঐ শিশুর পায়ে পড়ে বা জোর করে বা মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে আমাদের হেফাজতে আনতে চাই না, এবং ইচ্ছে করে কারো জন্যে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করতে আমরা রাজি নই!
কারণ আমাদের এ উদ্যেগ কাউকে ফাঁদে ফেলে তার কাছ থেকে বা তাকে বা তাদেরকে দেখিয়ে সমাজ বা রাষ্ট্র থেকে মিথ্যে সুবিধা আদায়ের কোন অপকৌশল নয়!
যে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালাকেই মানে না, তার বিষয়ে আমাদের কোন দায়-দায়িত্ব নাই!
আর লিখা পাঠানোর পর আমরা যদি কোন কারণে কাউকে উদ্ধারের বিষয়ে কোন উদ্যেগ গ্রহণ নাই’ই করি বা না'ও করতে পারি, তবুও আমাদের ব্লগের মাধ্যমে দুনিয়ার কোন না কোন সুহৃদয় ব্যক্তির নজরে আপনার এ লিখা পড়তেও পারে এবং তখন কেউ না কেউ হয়তো এই ভিকটিম শিশু বা শিশুদেরকে উদ্ধারে যে কোন ধরনের উদ্যেগ গ্রহণ করতেও পারে!!
আমার জিন যদি দৃশ্যমান হয়ে মানবরূপে আগত হয় এবং আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে আমাদের এ কার্যক্রম আরম্ভ করে বা করতে উপদেশ দেয়, তখন আমরা সর্ব সাধারণের জ্ঞাতার্থে আমাদের নোটিশ ব্লগ বা নোটিশ পেজে, নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে, আমরা তা সবাইকে জানিয়ে দিবো!
আমাদের নোটিশ পেজ/ নোটিশ ব্লগ দেখতে নিম্নে ক্লিক করুন, অথবা লিংকটি কপি করে গুগলে সার্চ করুন!
https://jinnotice.blogspot.com/
আমাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নিম্নোক্ত লিংকে, মানে আমাদের অফিসিয়াল ব্লগ "Syed Jin Arif official blog" লিংকে ক্লিক করুন, অথবা লিংকটি কপি করুন এবং তা গুগলে পেস্ট করে সার্চ করুন! এরপর খুজে নিন আপনি আমাদের বিষয়ে কী জানতে চান! বা আমাদের বিষয়ে আপনার কী প্রয়োজন বা আমাদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করতে পারেন এবং সে হিসেবে সার্চ করুন! ও আপনার বা আপনাদের প্রয়োজনীয় পোস্ট সমূহ পড়ুন!
ধন্যবাদ। সকলে ভালো থাকুন! সুস্থ থাকুন! সুন্দর থাকুন! আল্লাহ হাফেজ!
রস

0 Comments